বাজি ধরতে পারেন তবুও এ ৮টি কাজ আপনি করতে পারবেন না

আপনার যদি মনে হয় আপনি সবকিছু করতে পারেন, তাহলে আজ আমি আপনাদেরকে এমন কিছু কাজের কথা বলবো যা হয়ত আপনার পক্ষে করা সম্ভব নয়। কারন এ কাজগুলো পৃথিবীর অল্প কিছু মানুষের পক্ষেই করা সম্ভব। তাহলে আসুন দেখে নেই কি সেই কাজগুলো।

এক ভ্রু উপরে নেয়া

দুনিয়াতে খুব কম সংখ্যক লোক আছে যারা তাদের চোঁখের একটি ভ্রু উপরে তুলতে পারেন। বিষয়টি দেখে খুব কঠিন মনে হলেও অধ্যাবসায় দিয়ে এটা অর্জন করা সম্ভব তবে সে ক্ষেত্রে আপনার ৫ থেকে ৭ বছর লেগে যেতে পারে।

আমার বিশ্বাস আপনি হয়ত পারবেন। জিহবা দিয়ে কনুই ছোঁয়া আপনি জেনে অবাক হবেন ৯৯ শতাংশ মানুষ জিহবা দিয়ে তার কনুই কে ছুতে পারেনা। তবুও গিনেজ ওয়াল্ড রেকর্ডে প্রতিমাসে ৫জনের অধিক মানুষ আবেদন করে থাকেন।

যারা জিহবা দিয়ে তাদের কনুই স্পর্শ করতে সক্ষম। কান নাড়ানো আপনি জীবনের কোন না কোন সময় নিজের কান নাড়ানোর চেষ্টা করে থাকবেন। হয়ত কিন্তু জানি তাতে আপনি সফলকাম হননি কেন, নাড়ানো যায়না কান? এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখা হল, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ নাড়াচাড়া করার জন্য মস্তিষ্কে একটি নিউক্লিয়াস রয়েছে। কিন্তু কানের নিউক্লিয়াসটি অবস্থান ভিন্ন জায়াগায় এবং এটা এতটাই ছোট যে একে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়।

তাই তো কানকে চাইলেই নাড়ানো যায়না। জিহবা দিয়ে নাক স্পর্শ এটাও পৃথিবীর বেশীর ভাগ মানুষ কোন না কোন সময় চেষ্টা করে থাকেন কিন্তু আফসোস, তাদের বেশীর ভাগই সেটা করতে ব্যর্থ হন। আপনি যদি কোন সময় এটা করে না থাকেন তাহলে এখনই একবার চেষ্টা করে দেখুন না। অবশ আঙ্গুল এ কাজটি আপনি করতে পারবেন না জানি, তবুও নিজের চোঁখে দেখতে একবার চেষ্টা করেই দেখুন না।

জিহবা দিয়ে নাক স্পর্শ

প্রথমে মধ্যমা আঙ্গুল যেটি বৃদ্ধাঙ্গুল থেকে ৩ নাম্বার সেটিকে হাতের তালুর সাথে ঠেকান এবং বাকী ৪টি আঙ্গুল ছবির মত। একটি টেবিলে রাখুন এবার এক এক করে বৃদ্ধাঙ্গুল, তর্জনী ও কনিষ্ঠা আঙ্গুল উঠিয়ে দেখুন। সহজেই উঠানো যাচ্ছে কিন্তু অনামিকা আঙ্গুলটি কোনভাবেই তুলতে পারবেনা। যদি পারেন তবে আপনি বিশ্বে বিরলতম মানুষের একজন আর এর কারন হল, অন্যগুলোর মত অনামিকা আঙ্গুলটিকে একা একা নিয়ন্ত্রন করা যায়না।

এটি অন্য আঙ্গুলগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে। শুধু জিহবা ভাঁজ করা খুব অল্প কিছু মানুষের পক্ষেই এ কাজ করা সম্ভব। কারন নিজের জিহবা ভাঁজ করা তো আর চাট্টিখানি কথা নয় আর এ কাজটি আপনি যখন করতে যাবেন তখন বুঝবেন জিহবার উপরে আসলে তেমন কোন নিয়ন্ত্রন নেই। আপনার নিজেকে নিজে কাতুকুতু দেয়া অন্য কেউ শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাতে হাত দিতেই হেসে অস্থির হই।

আমরা আবার অনেকে বিষয়টি দারুন অপছন্দও করেন কিন্তু সেই একই কাতুকুতু আপনি যদি নিজেই নিজেকে দিতে চান, তাহলে সেটি কাজ করবে না এর কারন হল আপনার মস্তিষ্কের সেরাব্রেলাম ধরে ফেলে যে, যিনি কাতুকুতু দিচ্ছেন তিনি আপনি নিজেই একই সাথে দ্বৈত কাজ।

আপনার যদি মনে হয় আপনি একই সাথে দ্বৈত কাজ করতে সক্ষম, তাহলে আপনি এখন একটি চেয়ারে বসুন। আর আপনার ডান পা কে ঘড়ির কাটার দিকে ঘোরান এবং ডান হাত দিয়ে ইংরেজী সিক্স লেখার চেষ্টা করুন। একই সাথে কি পারছেন না তো? এর কারন হল আপনার পা এবং হাত আলাদা অভিমুখে ঘুরতে সক্ষম নয়। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম আছে নিশ্চয়ই।

Leave a Comment